ই-কমার্স ওয়েবসাইটের ৫০টা সমস্যা, কোনগুলো এড়ানো যায়
নিজের ই-কমার্স ওয়েবসাইট চালানোর ৫০টা সমস্যা: হোস্টিং, গেটওয়ে, ট্রেড লাইসেন্স, ক্যাশ অন ডেলিভারি আর সিকিউরিটি। টাকায় খরচের হিসাব, আর কোন ঝামেলা এড়ানো যায়।

ধরুন, আপনি একটা ফেসবুক পেজ থেকে হাতে আঁকা টোট ব্যাগ বিক্রি করেন, ফলোয়ার ২০,০০০ (উদাহরণটা বানানো, তবে খুব চেনা)। অর্ডার আসে মেসেঞ্জারে, আপনি খাতায় লিখে রাখেন। এক সন্ধ্যায় একটা রিল ভাইরাল হলো, আর আপনি ঠিক করলেন এবার নিজের ওয়েবসাইট লাগবে। টের পাওয়ার আগেই এই এক সিদ্ধান্তে ঘাড়ে চেপে বসে ডেভেলপার, হোস্টিং, ডোমেইন, পেমেন্ট গেটওয়ে, এক গাদা কাগজপত্র, আর সিকিউরিটির এমন এক কাজ, যেটা কখনো শেষ হয় না।
এই লেখায় আছে নিজের ই-কমার্স ওয়েবসাইট চালানোর ৫০টা সমস্যা, দশটা ভাগে সাজানো। যেগুলোর খরচ কোনো সোর্সে পেয়েছি, সেগুলোর টাকার হিসাবও দিয়েছি। অনলাইনে যত লিস্ট পাবেন, বেশিরভাগই আমেরিকান দোকানের জন্য লেখা; বাংলাদেশের আসল ঝামেলাগুলো সেখানে নেই: গেটওয়ে যে ট্রেড লাইসেন্স চায়, ক্যাশ অন ডেলিভারি, প্রথম বিক্রির আগেই সেটআপ ফি। প্রতিটা ভাগে দেখিয়েছি, হবে নাকি Coffee?-তে শপ খুললে কোন ঝামেলাগুলো আর থাকে না, আর কোনগুলো তবুও আপনার কাঁধেই থাকে।
বাংলাদেশে নিজের ই-কমার্স ওয়েবসাইট চালাতে কত খরচ?
শুধু সেই হিসাবগুলো দিচ্ছি, যেগুলোর সূত্র আছে। Shopify-এর বেসিক প্ল্যান মাসে $২৫, বছরের টাকা একবারে দিলে মাসে $১৯; আর অন্য কোনো পেমেন্ট প্রোভাইডার নিলে প্রতি বিক্রিতে আরও ২% পর্যন্ত কাটে।[৩] অন্য প্রোভাইডার আপনাকে নিতেই হবে, কারণ Shopify-এর নিজের পেমেন্ট সার্ভিস যেসব দেশে চলে, সেই তালিকায় বাংলাদেশ নেই।[৪] WooCommerce সফটওয়্যারটা ফ্রি, কিন্তু ওদের নিজেদের প্রাইসিং পেজই বলছে, বেশিরভাগ স্টোরের হোস্টিং মাসে $২৫ থেকে $৩৫০, আর প্রতিটা পেইড এক্সটেনশন বছরে $২৯ থেকে $২৯৯।[৫]
২০২৬ সালের জানুয়ারিতে দাম কমার পর .com.bd ডোমেইন প্রথম বছর ৭০০ টাকা, রিনিউ ১,০২০ টাকা।[৬] SSL সার্টিফিকেট Let’s Encrypt থেকে ফ্রি পাওয়া যায়।[৭] আসল ধাক্কা গেটওয়েতে: ২০২১ সালে সেটআপ ফি ছিল মোটামুটি ৪,০০০ থেকে ২০,০০০ টাকা, SSLCommerz-এর ১৫,০০০ টাকা, আর প্রতি লেনদেনে কমিশন ২% থেকে ৪%।[৮] এগুলো পাঁচ বছর আগের হিসাব, তাই আজকের দাম গেটওয়ের কাছে জেনে নিন। আর বানাবে কে? বাংলাদেশের ৮০% সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের মাসিক বেতন ১৮ হাজার থেকে ১ লাখ ১ হাজার টাকার মধ্যে।[১]
| খরচ | নিজের ওয়েবসাইট | হবে নাকি Coffee? |
|---|---|---|
| স্টোর সফটওয়্যার | Shopify-এর বেসিক প্ল্যান মাসে $২৫ (বছরের টাকা একবারে দিলে $১৯), নয়তো WooCommerce ফ্রি, প্রতি এক্সটেনশন বছরে $২৯–$২৯৯ | শুরু ফ্রি, মূল সার্ভিসে মাসিক ফি নেই |
| হোস্টিং | বেশিরভাগ WooCommerce স্টোরে মাসে $২৫–$৩৫০ | সাথেই আছে |
| ডোমেইন | .com.bd: প্রথম বছর ৭০০ টাকা, রিনিউ ১,০২০ টাকা | লাগে না (নিজের ডোমেইন বসানো যায় না) |
| SSL সার্টিফিকেট | Let's Encrypt থেকে ফ্রি, রিনিউ আপনার দায়িত্ব | সাথেই আছে |
| পেমেন্ট গেটওয়ে সেটআপ | প্রায় ৪,০০০–২০,০০০ টাকা (২০২১ সালের হিসাব) | নেই |
| প্রতি বিক্রিতে চার্জ | গেটওয়ে ২–৪% (২০২১), লোকাল গেটওয়েতে Shopify আরও ২% পর্যন্ত | একটাই প্ল্যাটফর্ম ফি, পেমেন্ট প্রসেসিং এর ভেতরেই |
| ডেভেলপার | মাসে ১৮ হাজার থেকে ১ লাখ ১ হাজার টাকা (৮০% ইঞ্জিনিয়ার) | লাগে না |
প্ল্যাটফর্ম ফি মাসিক বিল না, প্রতিটা বিক্রির একটা অংশ; এখনকার রেট দেখুন প্রাইসিং পেজে।
ই-কমার্স ওয়েবসাইটের ৫০টা সমস্যা, ভাগ করে
নিচের প্রতিটা তালিকার দুই দিক। বাঁয়ে সেই ঝামেলাগুলো, যেগুলো নিজে সাইট চালালে ঘাড়ে আসে; এখানে শপ খুললে এগুলো আর থাকে না। ডানে, তার বদলে যা আগে থেকেই আছে। শুরুর আগে কয়েকটা সংখ্যা।
- ৭০.২২%
- গড়ে কার্ট ফেলে চলে যায়
- ৫৩%
- ৩ সেকেন্ডের বেশি লাগলে মোবাইল ভিজিটর চলে যায়
- ৯০%+
- বাংলাদেশি ক্রেতা ক্যাশ অন ডেলিভারি চান
- ১১,৩৩৪
- ২০২৫ সালে WordPress-এ নতুন দুর্বল জায়গা
Baymard Institute, ২০২৬
Google ও SOASTA, ২০১৭
যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন
Patchstack, ২০২৬
সূত্র: Baymard[৯], Google ও SOASTA[১০], ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন[১১] আর Patchstack।[১২]
সাইট বানানো
প্রথম দেয়ালটা মানুষ। বাংলাদেশে ই-কমার্স শুরুর চ্যালেঞ্জ নিয়ে ২০২১ সালের UNB রিপোর্টে বলা হয়েছে, দক্ষ লোক পাওয়াই একটা বড় সমস্যা।[২] একজন ভালো ডেভেলপারের এক মাসের বেতন অনেক ছোট পেজের তিন মাসের আয়ের চেয়েও বেশি হতে পারে।
নিজে করলে১–৫
- ১ডেভেলপার খোঁজা, নয়তো নিজেই কোড শেখা
- ২WooCommerce, Shopify নাকি নিজে বানানো, সেই সিদ্ধান্ত
- ৩Shopify-কে ডলারে বিল, লোকাল গেটওয়েতে বাড়তি চার্জ
- ৪প্রোডাক্ট পেজ, ভ্যারিয়েন্ট আর স্টক ট্র্যাকিং বানানো
- ৫ডাউনলোড লিংক ফাঁস না করে ডিজিটাল ফাইল পৌঁছানো
আগে থেকেই আছেআলাদা খরচ নেই
- hobenakicoffee.com/@আপনার-নাম/shop-এ তৈরি শপ, প্রতিটা প্রোডাক্টের আলাদা পেজ
- ডিজিটাল আর ফিজিক্যাল প্রোডাক্ট, ৩টা অপশন পর্যন্ত ভ্যারিয়েন্ট (সাইজ, রঙ…), প্রতিটার আলাদা দাম আর স্টক
- পেমেন্টের পর ডিজিটাল প্রোডাক্ট নিজে নিজে পৌঁছে যায়, ডাউনলোডের সংখ্যা আর মেয়াদ বাঁধা লিংকে
- পুরো সাইট বাংলা আর ইংরেজিতে
হোস্টিং আর ১০,০০০+ ভিজিটর সামলানো
ধরুন, একটা রিল এক ঘণ্টায় দশ হাজার মানুষকে আপনার লিংকে পাঠাল। সস্তা শেয়ার্ড হোস্টিংয়ে ঠিক তখনই সাইট বসে যায়, যখন সেটা সবচেয়ে বেশি দরকার। শান্ত দিনেও স্পিড জরুরি: Google-এর গবেষণা বলছে, পেজ খুলতে তিন সেকেন্ডের বেশি লাগলে ৫৩% মোবাইল ভিজিটর চলে যায়।[১০] ভিড়ের মধ্যেও স্টোর দ্রুত রাখা মানে ক্যাশিং, CDN, ডেটাবেস টিউনিং, আর রাত ২টায় কারও নজর রাখা। তার ওপর আছে হামলা। ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে Cloudflare এমন ৯৩৫টা নেটওয়ার্ক-লেয়ার DDoS হামলা গুনেছে, যার প্রতিটা সেকেন্ডে ১ টেরাবিটের বেশি, আর ৯০.৬০% হামলা শেষ হয়েছে দশ মিনিটের কম সময়ে, মানুষ কিছু করার আগেই।[১৪]
নিজে করলে৬–১০
- ৬মোবাইল নেটে পেজ খুলতে তিন সেকেন্ডের বেশি লাগা
- ৭ভাইরাল পোস্টের ভিড় শেয়ার্ড হোস্টিং সামলাতে না পারা
- ৮অর্ডার বাড়ার সাথে ডেটাবেস, ক্যাশ আর CDN টিউন করা
- ৯আপটাইম পাহারা, সাইট ডাউন হলে রাত ২টায় ঘুম ভাঙা
- ১০ভিজিটর বাড়লেই হোস্টিং বিল বাড়া, বিক্রি হোক বা না হোক
আগে থেকেই আছেআলাদা খরচ নেই
- সার্ভার, ডেটাবেস, স্টোরেজ আর ইমেজ CDN আমরা চালাই
- পেজগুলো Cloudflare-এর নেটওয়ার্ক দিয়ে যায়
- হোস্টিং, সার্ভার বা SSL কিছুই আপনাকে সেটআপ করতে হয় না
- হোস্টিং বিল নেই: মূল সার্ভিসে কোনো মাসিক ফি নেই
শুধু স্টোরেজের একটা সীমা জেনে রাখুন: প্রতিটা ক্রিয়েটর ১ জিবি ফ্রি পান, এর বেশি লাগলে পেইড স্টোরেজ প্ল্যান নিতে হয়।
ডোমেইন, SSL আর ইমেইল
এর কোনোটাই একা কঠিন না। কিন্তু সব একসাথে সামলাতে গেলে কোনটা কখন নষ্ট হলো, টেরও পাওয়া যায় না। রিনিউয়ের ইমেইল গেল পুরোনো ঠিকানায়, ডোমেইনের মেয়াদ শেষ। অটো-রিনিউ কাজ করল না, Let’s Encrypt-এর ফ্রি সার্টিফিকেট[৭] এক্সপায়ার। Gmail চায়, যারা মেইল পাঠায় তারা নিজের ডোমেইনে SPF আর DKIM সেটআপ করুক,[১৫] না করলে অর্ডার কনফার্মেশন যায় স্প্যামে। আর অচেনা সাইটে ক্রেতারা ভরসা পান না: Baymard-এর গবেষণায় ১৯% ক্রেতা অর্ডার ছেড়ে দিয়েছেন, কারণ সাইটকে কার্ডের তথ্য দিতে ভরসা পাননি।[৯]
নিজে করলে১১–১৫
- ১১ডোমেইন কেনা আর মনে করে রিনিউ করা
- ১২একটা DNS রেকর্ড ভুল হলেই সাইট বন্ধ
- ১৩অটো-রিনিউ ফেল করলে SSL সার্টিফিকেট এক্সপায়ার
- ১৪অর্ডারের ইমেইল ইনবক্সে পৌঁছাতে SPF, DKIM আর DMARC সেটআপ
- ১৫অচেনা ওয়েবসাইটে ক্রেতার ভরসা না পাওয়া
আগে থেকেই আছেআলাদা খরচ নেই
- ডোমেইন বা DNS নিয়ে ভাবতে হয় না: শপ থাকে hobenakicoffee.com/@আপনার-নাম/shop-এ
- SSL সার্টিফিকেট বসানো বা রিনিউয়ের ঝামেলা নেই
- অর্ডারের ইমেইল আমরাই পাঠাই: অর্ডার হলো, শিপ হলো, ডেলিভারি হলো, ক্যানসেল বা রিফান্ড হলো
- পরিচয় ভেরিফাই হলে প্রোফাইলে নীল ভেরিফাইড ব্যাজ
সোজা কথা বলি: নিজের ডোমেইন এখানে বসানো যায় না। ব্র্যান্ডের নিজের .com যদি আপনার প্ল্যানে থাকে, তাহলে নিজের সাইট চালানোর এটা একটা ভালো কারণ।
সিকিউরিটি
WooCommerce চলে WordPress-এর ওপর, আর WordPress-এর দুর্বল জায়গা হলো প্লাগইন। Patchstack-এর হিসাবে ২০২৫ সালে WordPress-এ নতুন ১১,৩৩৪টা দুর্বল জায়গা ধরা পড়েছে, তার ৯১% প্লাগইনে; আর যে ফাঁকগুলোতে সবচেয়ে বেশি হামলা হয়, সেগুলোতে ঢালাও হামলা শুরু হতে সাধারণত লেগেছে মাত্র পাঁচ ঘণ্টা।[১২] পাঁচ ঘণ্টা, অফিসের একটা দিনও না। আর সাইটে কার্ড পেমেন্ট নিলে PCI DSS মানতে হয়; কার্ডের তথ্য যে প্রতিষ্ঠানই রাখে, প্রসেস করে বা পাঠায়, তার জন্যই এই নিয়ম।[১৬]
নিজে করলে১৬–২০
- ১৬হ্যাকার ফাঁক খোঁজার আগেই প্লাগইন প্যাচ করা
- ১৭কার্ডের তথ্য নিজের সার্ভার থেকে দূরে রাখা
- ১৮একটা পাসওয়ার্ডে আটকে থাকা অ্যাডমিন অ্যাকাউন্ট
- ১৯ভুয়া পেমেন্ট নোটিশে টাকা না দেওয়া অর্ডার পেইড হয়ে যাওয়া
- ২০স্টাফদের সাথে একটাই অ্যাডমিন লগইন শেয়ার করা
আগে থেকেই আছেআলাদা খরচ নেই
- ইনস্টল বা প্যাচ করার মতো কোনো প্লাগইন নেই
- ক্রেতা কার্ডের তথ্য দেন SSLCommerz-এর চেকআউটে, আপনার শপে না
- ইমেইল কোড বা Google, Facebook দিয়ে লগইন, চাইলে টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন
- অর্ডার পেইড হওয়ার আগে প্রতিটা পেমেন্ট গেটওয়ের সাথে আবার মিলিয়ে দেখা হয়
- টিম মেম্বাররা শুধু আপনার দেওয়া পারমিশনটুকু পান; পেআউট থাকে আপনার হাতে
পেমেন্ট আর পেআউট
নিজের সাইটে bKash আর কার্ড নিতে হলে গেটওয়ের সাথে মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট লাগে। SSLCommerz অনবোর্ডিংয়ের সময় আরও কিছু কাগজের সাথে চায় মেয়াদ থাকা ট্রেড লাইসেন্স, TIN, NID, ব্যাংকের চেকের পাতা আর সই করা মার্চেন্ট ফর্ম।[১৭] তারপর এমন একটা কলব্যাক বানাতে হয়, যেটা সাইটকে জানাবে পেমেন্ট হয়েছে। সেটা টেস্ট করতে হয়, আর সেটা দুবার এলে বা একেবারেই না এলে কী হবে, তাও সামলাতে হয়। ক্রিয়েটরের টাকা কোথায় আটকে যায়, তা নিয়ে আরও লিখেছি বাংলাদেশে ক্রিয়েটরের টাকা কেন আটকে যায় লেখায়।
নিজে করলে২১–২৫
- ২১গেটওয়ে অনবোর্ডিংয়ের জন্য কাগজের স্তূপ জোগাড়
- ২২প্রথম বিক্রির আগেই গেটওয়ের সেটআপ ফি
- ২৩বাকি সব বিলের ওপর প্রতি লেনদেনে কমিশন
- ২৪পেমেন্ট কনফার্মেশনের কলব্যাক লেখা আর টেস্ট করা
- ২৫গেটওয়ে থেকে টাকা নিজের bKash-এ আনা
আগে থেকেই আছেপ্ল্যাটফর্ম ফির ভেতরেই
- ক্রেতা পে করেন bKash, Nagad, Rocket বা কার্ডে, SSLCommerz-এর চেকআউট দিয়ে
- শুরু ফ্রি: গেটওয়ের কোনো সেটআপ ফি নেই
- পেমেন্ট প্রসেসিং প্ল্যাটফর্ম ফির ভেতরেই (প্রাইসিং দেখুন)
- ৳৫০০ থেকে bKash, Nagad, Rocket বা ব্যাংকে টাকা তুলুন, উইথড্র ফি নেই
কাগজপত্র আর পলিসি
বাংলাদেশের ই-কমার্সের এই অংশটা বিদেশি গাইডে কখনো থাকে না। ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা ২০২১ অনুযায়ী অনলাইন বিক্রেতাকে ট্রেড লাইসেন্স, TIN আর বিজনেস আইডি দেখাতে হয়, আর শর্ত ও রিটার্ন পলিসি বাংলায় দিতে হয়।[২০] ডিজিটাল বিজনেস আইডি (DBID) পাওয়া যতটা সহজ শোনায় ততটা না: ২০২৩ সালের এক রিপোর্ট বলছে, আবেদন করা ৮৫%-এর বেশি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান সেটা পায়নি।[১৯] নিয়মগুলো আবার একটা আরেকটার উল্টো দিকে টানে। ২০২০ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছিল, ছোট ব্যবসায়ীদের ব্যাংক বা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসে মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে আর ট্রেড ডকুমেন্ট লাগবে না,[১৮] অথচ SSLCommerz আজও ট্রেড লাইসেন্স চায়।[১৭]
নিজে করলে২৬–৩০
- ২৬গেটওয়ে অ্যাকাউন্ট খোলার আগে ট্রেড লাইসেন্স আর TIN
- ২৭গেটওয়ের জন্য সই করা মার্চেন্ট ফর্ম, চেকের পাতা আর NID-এর কপি
- ২৮শূন্য থেকে রিটার্ন আর রিফান্ড পলিসি লেখা
- ২৯ক্রেতা পড়বেন এমন শিপিং আর প্রাইভেসি পলিসি লেখা
- ৩০প্রতিটা অর্ডারের ইনভয়েস আর রিসিট বানানো
আগে থেকেই আছেআলাদা খরচ নেই
- বিক্রি শুরু করতে প্ল্যাটফর্ম কোনো ট্রেড লাইসেন্স, TIN বা ব্যবসার কাগজ চায় না
- টাকা তুলতে একবার NID দিয়ে ভেরিফাই করলেই হয়
- তৈরি টেমপ্লেট থেকে শপের রিটার্ন, রিফান্ড, শিপিং আর প্রাইভেসি পলিসি
- প্রতিটা অর্ডারের PDF রিসিট
প্ল্যাটফর্ম কী চায় না আর আইন আপনার কাছে কী চায়, দুটো এক জিনিস না। নিজের ট্যাক্সের হিসাব আপনাকেই দেখতে হবে; শুরু করুন ট্যাক্স ও রিপোর্টিং পেজ থেকে।
অর্ডার, স্টক আর ডেলিভারি
বাংলাদেশের ৯০%-এর বেশি ই-কমার্স ক্রেতা ক্যাশ অন ডেলিভারিতে পে করতে চান,[১১] তাই ক্যাশ অন ডেলিভারি না থাকলে শপ শুরুতেই বেশিরভাগ ক্রেতা হারায়। নির্দেশিকা ডেলিভারির সময়ও বেঁধে দিয়েছে: একই শহরে পাঁচ দিন, অন্য জায়গায় দশ দিন।[২০] খাতায় স্টক লিখে এই সময় মানতে গেলে একই জিনিস দুবার বিক্রি হয়ে যায়, তারপর ক্রেতাকে সরি বলতে হয়।
নিজে করলে৩১–৩৫
- ৩১প্রতিটা অর্ডারে ঢাকার ভেতর আর বাইরের শিপিং হিসাব করা
- ৩২স্প্রেডশিট ছাড়া ক্যাশ অন ডেলিভারির হিসাব রাখা
- ৩৩স্টক শেষ হওয়া জিনিস আবার বিক্রি করে ফেলা
- ৩৪"পার্সেল কোথায়?" প্রশ্নের উত্তর একটা একটা করে দেওয়া
- ৩৫কুরিয়ার আর হিসাবের জন্য অর্ডার হাতে কপি করা
আগে থেকেই আছেআলাদা খরচ নেই
- প্রতিটা প্রোডাক্টে ঢাকার ভেতর আর বাইরের আলাদা শিপিং ফি
- ফিজিক্যাল প্রোডাক্টে ক্যাশ অন ডেলিভারি
- স্টক ট্র্যাকিং, স্টক কমলে অ্যালার্ট
- ট্র্যাকিং নম্বরসহ অর্ডার স্ট্যাটাস, শিপ হলে ক্রেতাকে ইমেইল
- অর্ডার, প্রোডাক্ট আর লেনদেন CSV-তে এক্সপোর্ট
পার্সেল প্যাক করে কুরিয়ারে দেওয়া তবুও আপনার কাজ, আর ক্রেতা ক্যাশ অন ডেলিভারির পার্সেল ফিরিয়ে দিলে ক্ষতিটাও আপনার। হিসাব রাখে প্ল্যাটফর্ম, বাক্সটা আপনার।
রিফান্ড, রিটার্ন আর ক্যানসেল
রিফান্ডের এখন নিয়ম আছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিজিটাল পেমেন্ট নীতিমালায় ক্যানসেল হওয়া ডিজিটাল পেমেন্টের টাকা বড়জোর তিন দিনের মধ্যে ফেরত দিতে হয়।[২১] নিজের সাইটে এর মানে, গেটওয়ে দিয়ে টাকা ফেরতের ব্যবস্থা বানানো, তারপর টাকাটা সত্যিই পৌঁছাল কি না মিলিয়ে দেখা। চেকআউটেও রিটার্ন পলিসি জরুরি: Baymard-এর গবেষণায় ১৩% ক্রেতা পলিসি পছন্দ না হওয়ায় অর্ডার ছেড়ে দিয়েছেন।[৯]
নিজে করলে৩৬–৪০
- ৩৬গেটওয়ে দিয়ে টাকা ফেরতের ব্যবস্থা বানানো
- ৩৭গেটওয়ে আসলেই রিফান্ড শেষ করল কি না মিলিয়ে দেখা
- ৩৮মেসেঞ্জারের স্ক্রিনশট দিয়ে রিটার্ন সামলানো
- ৩৯হিসাব না ভেঙে পেইড অর্ডার ক্যানসেল করা
- ৪০হিসাবের জন্য প্রতিটা রিফান্ডের রেকর্ড রাখা
আগে থেকেই আছেআলাদা খরচ নেই
- রিফান্ড যায় পেমেন্ট গেটওয়ে দিয়েই; আমাদের স্টাফ অ্যাপ্রুভ করে শেষ করেন
- প্রতিটা অর্ডারেই রিটার্ন রিকোয়েস্টের ব্যবস্থা
- ক্যানসেল, রিফান্ড আর রিটার্নের অর্ডার স্ট্যাটাস, ক্রেতাকে ইমেইলসহ
- প্রতিটা লেনদেন CSV-তে এক্সপোর্ট
ক্রেতা আর সাপোর্ট
মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ আর ইমেইলে ক্রেতারা একই পাঁচটা প্রশ্ন করেন, আর প্রতিটা উত্তর হাতে টাইপ করতে হয়। আগে অ্যাকাউন্ট খুলতে বাধ্য করলে ক্ষতি আরও বেশি: Baymard-এর গবেষণায় ১৮% ক্রেতা চেকআউট ছেড়ে দিয়েছেন, কারণ সাইট অ্যাকাউন্ট খুলতে বলেছিল।[৯] UNB-এর ২০২১ সালের রিপোর্ট বলছে, বাংলাদেশি প্ল্যাটফর্মগুলো ১০% ক্রেতাকেও আবার কেনাতে হিমশিম খায়।[২]
নিজে করলে৪১–৪৫
- ৪১মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ আর ইমেইলে একই অর্ডারের প্রশ্নের উত্তর
- ৪২পে করার আগে প্রোডাক্ট নিয়ে প্রশ্ন করার জায়গা না থাকা
- ৪৩অন্য ক্রেতা ভরসা করবেন এমন রিভিউ জোগাড়
- ৪৪চেকআউটের আগে ক্রেতাকে অ্যাকাউন্ট খুলতে বাধ্য করা
- ৪৫নিজের সাইট ভাঙলে ফোন করার কেউ না থাকা
আগে থেকেই আছেআলাদা খরচ নেই
- শপের ভেতরেই প্রোডাক্ট বা অর্ডার নিয়ে ক্রেতা আপনার সাথে চ্যাট করেন
- প্রোডাক্ট রিভিউ
- ফিজিক্যাল প্রোডাক্টে অ্যাকাউন্ট ছাড়াই চেকআউট (ডিজিটাল প্রোডাক্টে অ্যাকাউন্ট লাগে)
- আপনার জন্য চ্যাটে সাপোর্ট, সাথে FAQ আর গাইড
গ্রোথ, খরচ আর সময়
নতুন ডোমেইনে শুরুতে কোনো ভিজিটর থাকে না, আর আপনার ক্রেতারা তো আগে থেকেই ফেসবুকে। ২০২৪ সালের এক রিপোর্টে বাংলাদেশে ৫ লাখের বেশি কোম্পানি পেজ গোনা হয়েছে, তার ২ থেকে ২.৫ লাখ চালান এফ-কমার্স বিক্রেতারা।[১৩] সব স্টোর মিলিয়ে গড়ে ৭০.২২% কার্ট ফেলে চলে যায়, আর তাদের ৪০% দোষ দেন শিপিং বা ফির মতো বাড়তি খরচকে।[৯] আপনার পেজ আদৌ আয় করতে পারবে কি না ভাবছেন? আগে পড়ুন ফলোয়ার থাকলেই কি আয় হয়?
নিজে করলে৪৬–৫০
- ৪৬একদম নতুন ডোমেইন, যেটা সার্চ ইঞ্জিন কখনো দেখেনি
- ৪৭সার্চ রেজাল্টের জন্য স্ট্রাকচার্ড ডেটা ছাড়া প্রোডাক্ট পেজ
- ৪৮কুপন আর ফ্ল্যাশ সেল নিজে বানানো
- ৪৯কোন প্রোডাক্ট বিক্রি হচ্ছে সেটা না জানা
- ৫০প্রথম বিক্রির আগেই হোস্টিং, প্লাগইন আর ডেভেলপারের মাসিক বিল
আগে থেকেই আছেআলাদা খরচ নেই
- প্রোডাক্ট পেজে প্রোডাক্টের স্ট্রাকচার্ড ডেটা (টাকায় দাম, স্টক, রেটিং), আর সাইটম্যাপে জায়গা
- কুপন, কতবার চলবে আর মিনিমাম অর্ডার কত আপনিই ঠিক করেন; সাথে নির্দিষ্ট সময়ের ফ্ল্যাশ সেল
- শপ ড্যাশবোর্ডে ভিউ, বিক্রি, আয় আর সেরা প্রোডাক্ট
- শুরু ফ্রি, মূল সার্ভিসে কোনো মাসিক ফি নেই
যে সমস্যাটা লিস্টে নেই, সেটা সময়। সার্টিফিকেট রিনিউ বা কলব্যাকের পেছনে যাওয়া প্রতিটা ঘণ্টা মানে টোট ব্যাগ বানানোর একটা ঘণ্টা কম।
এই সমস্যাগুলো হবে নাকি Coffee? কীভাবে মেটায়
পঞ্চাশটা সমস্যা অনেক লম্বা লিস্ট, তাই আমাদের পথটা এক জায়গায় বলে দিই। ধারণাটা সহজ: যে অংশগুলো ভেঙে পড়ে, মেয়াদ ফুরায় বা এক্সপার্ট লাগে, সেগুলো আমরাই চালাই। আপনার হাতে থাকে শুধু সেই কাজটা, যা আপনি ছাড়া কেউ পারে না: নিজের প্রোডাক্ট বানানো আর বিক্রি করা।
| কোন ভাগের সমস্যা | আমরা যা করি |
|---|---|
| সাইট বানানো আর হোস্টিং (১–১০) | hobenakicoffee.com/@আপনার-নাম/shop-এ তৈরি শপ, প্রতিটা প্রোডাক্টের আলাদা পেজসহ। সার্ভার, ডেটাবেস, স্টোরেজ আর ইমেজ CDN আমরাই চালাই, তাই হোস্টিং কিনতে হয় না, ডেভেলপারও লাগে না। পুরোটা বাংলা আর ইংরেজিতে চলে। |
| ডোমেইন, SSL আর ইমেইল (১১–১৫) | ডোমেইন, DNS বা SSL সার্টিফিকেট নিয়ে ভাবতে হয় না। অর্ডারের ইমেইল আমরাই পাঠাই, আর পরিচয় ভেরিফাই হলে প্রোফাইলে নীল ভেরিফাইড ব্যাজ পান। |
| সিকিউরিটি (১৬–২০) | প্যাচ করার মতো কোনো প্লাগইন নেই। ক্রেতা কার্ডের তথ্য দেন SSLCommerz-এর চেকআউটে, আপনার শপে কখনো না। আর অর্ডার পেইড দেখানোর আগে আমরা প্রতিটা পেমেন্ট গেটওয়ের সাথে আবার মিলিয়ে নিই। |
| পেমেন্ট, পেআউট আর কাগজপত্র (২১–৩০) | ক্রেতা পেমেন্ট করেন bKash, Nagad, Rocket বা কার্ডে। গেটওয়ে সেটআপ ফি নেই, বিক্রি শুরু করতে ট্রেড লাইসেন্স বা TIN লাগে না। টাকা তুলতে একবার NID দিয়ে ভেরিফাই করতে হয়, ৳৫০০ থেকে তোলা যায়, উইথড্র ফি নেই। পলিসি পাবেন তৈরি টেমপ্লেট থেকে, আর প্রতিটা অর্ডারে PDF ইনভয়েস। |
| অর্ডার, স্টক আর রিফান্ড (৩১–৪০) | প্রতিটা প্রোডাক্টে ঢাকার ভেতরে আর বাইরের আলাদা শিপিং ফি, ফিজিক্যাল প্রোডাক্টে ক্যাশ অন ডেলিভারি, স্টক কমলে অ্যালার্ট, আর ক্রেতার কাছে ইমেইলে ট্র্যাকিং। রিফান্ড যায় গেটওয়ে দিয়েই, আর প্রতিটা লেনদেন CSV-তে এক্সপোর্ট হয়। |
| কাস্টমার আর গ্রোথ (৪১–৫০) | ক্রেতা শপের ভেতরেই আপনার সাথে চ্যাট করেন, রিভিউ দেন, আর অ্যাকাউন্ট ছাড়াই চেকআউট করতে পারেন। প্রোডাক্ট পেজে স্ট্রাকচার্ড ডেটা থাকে, আর আপনি পান কুপন, ফ্ল্যাশ সেল, আর ভিউ, বিক্রি ও সেরা প্রোডাক্টের ড্যাশবোর্ড। |
পুরোটাই একটা প্ল্যাটফর্ম ফির ভেতরে, মূল সার্ভিসে কোনো মাসিক ফি নেই। এখনকার হার প্রাইসিং পেজে।
কোনটা আপনার নিজের হাতেই থাকে, সেটাও সোজাসুজি বলে রাখি। পার্সেল প্যাক করা, নিজের ক্রেতা আনা আর নিজের ট্যাক্সের ব্যাপারটা দেখে নেওয়া আপনারই কাজ। নিজের ডোমেইন বসানো যায় না, আর প্রতিটা ক্রিয়েটর ১ GB স্টোরেজ ফ্রি পান, এরপর পেইড স্টোরেজ প্ল্যান লাগে।
কখন নিজের ই-কমার্স ওয়েবসাইটই ঠিক সিদ্ধান্ত
প্ল্যাটফর্ম সব বিক্রেতার জন্য ঠিক না, আর এটা লুকালে এই লিস্টের কোনো দাম থাকে না।
নিজের সাইট চালান, যদি
- ব্র্যান্ডের জন্য নিজের ডোমেইন আর ডিজাইন পুরোপুরি নিজের হাতে রাখতে চান
- আপনার ডেভেলপার আছে, বা প্রতি মাসে তার খরচ দেওয়ার বাজেট আছে
- ট্রেড লাইসেন্স আর গেটওয়ে অ্যাকাউন্ট আগে থেকেই আছে
- এমন ইন্টিগ্রেশন দরকার, যা হোস্টেড শপে নেই
প্ল্যাটফর্মে শপ খুলুন, যদি
- ক্রেতারা আপনাকে আগে থেকেই ফেসবুক পেজ বা ইনস্টাগ্রামে খুঁজে পান
- তিন মাস ধরে সাইট বানানোর পর না, এই মাসেই বিক্রি শুরু করতে চান
- বাঁধা মাসিক বিলের বদলে বিক্রির একটা অংশ দিতে চান
- ডিজিটাল ফাইল আর ফিজিক্যাল প্রোডাক্ট পাশাপাশি বিক্রি করেন
যারা ফেসবুক পেজে সবে বিক্রি শুরু করছেন, তাদের বেশিরভাগের জন্য নিজের সাইটের প্রায় সব কাজ প্ল্যাটফর্মই করে দেয়, মাসে মাসে বাঁধা খরচ ছাড়াই। একদম শপ ছাড়া শুধু ফেসবুক পেজ থেকে শুরু করলে পড়ুন ফেসবুক পেজ থেকে আয় কীভাবে শুরু করবেন।
সাধারণ প্রশ্ন
বাংলাদেশে ই-কমার্স ওয়েবসাইট চালানোর সবচেয়ে বড় সমস্যা কী?
সবার আগে পেমেন্ট আর কাগজপত্র: গেটওয়ে ট্রেড লাইসেন্স, TIN আর সই করা মার্চেন্ট ফর্মের মতো কাগজ চায়, সাথে সেটআপ ফি। এরপর হোস্টিং আর সিকিউরিটি, ক্যাশ অন ডেলিভারি আর রিফান্ড, আর নতুন ডোমেইনে ভিজিটর আনা।
ই-কমার্স ওয়েবসাইট বানাতে কত খরচ হয়?
একটা নির্দিষ্ট দাম নেই, তবে ছোট ছোট খরচ মিলে অনেক হয়ে যায়। Shopify-এর বেসিক প্ল্যান মাসে $২৫, WooCommerce হোস্টিং মাসে $২৫ থেকে $৩৫০, .com.bd ডোমেইন প্রথম বছর ৭০০ টাকা, আর ২০২১ সালে গেটওয়ে সেটআপ ফি ছিল প্রায় ৪,০০০ থেকে ২০,০০০ টাকা; ডেভেলপারের বেতন এর বাইরে।
পেমেন্ট গেটওয়ে নিতে কি ট্রেড লাইসেন্স লাগে?
SSLCommerz এখনো অনবোর্ডিংয়ের কাগজের তালিকায় মেয়াদ থাকা ট্রেড লাইসেন্স রাখে, যদিও ২০২০ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছিল ছোট ব্যবসায়ীদের মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টে ট্রেড ডকুমেন্ট লাগবে না। যে গেটওয়ে নেবেন, তাদের কাছে জেনে নিন। হবে নাকি Coffee?-তে বিক্রি করতে ট্রেড লাইসেন্স লাগে না; টাকা তুলতে NID দিয়ে ভেরিফাই করতে হয়।
Shopify-এর নিজের পেমেন্ট সার্ভিস কি বাংলাদেশে চলে?
না। Shopify-এর নিজের পেমেন্ট সার্ভিস যেসব দেশে চলে, সেই তালিকায় বাংলাদেশ নেই। তাই এখানে Shopify স্টোরে অন্য গেটওয়ে লাগে, আর বেসিক প্ল্যানে সেটা নিলে Shopify প্রতি বিক্রিতে ২% পর্যন্ত বাড়তি নেয়।
নিজের ওয়েবসাইট ছাড়া কি অনলাইনে বিক্রি করা যায়?
যায়। ফেসবুক পেজে মেসেজে অর্ডার নিতে পারেন, অথবা হবে নাকি Coffee?-এর মতো প্ল্যাটফর্মে শপ খুলতে পারেন, যেখানে ক্রেতা bKash, Nagad, Rocket, কার্ড বা ক্যাশ অন ডেলিভারিতে পে করেন আর আপনি ৳৫০০ থেকে টাকা তোলেন।
ওয়েবসাইট কখনো আসল প্রোডাক্ট ছিল না। প্রোডাক্ট ছিল টোট ব্যাগগুলো, আর বেঁচে যাওয়া সময়টা ওদের জন্যই।
তথ্যসূত্র
- Paylab — Salary Software Engineer - Bangladesh. দেখা হয়েছে ৭ অক্টোবর, ২০২৬
- UNB — Key Challenges to Start E-Commerce Business in Bangladesh. দেখা হয়েছে ৭ অক্টোবর, ২০২৬
- Shopify — Shopify Pricing: Find the Right Plan for Your Business. দেখা হয়েছে ৭ অক্টোবর, ২০২৬
- Shopify Help Center — Supported countries for Shopify Payments. দেখা হয়েছে ৭ অক্টোবর, ২০২৬
- WooCommerce — WooCommerce pricing. দেখা হয়েছে ৭ অক্টোবর, ২০২৬
- The Financial Express — Price of .bd domain cut by 36pc. দেখা হয়েছে ৭ অক্টোবর, ২০২৬
- Let's Encrypt — About Let's Encrypt. দেখা হয়েছে ৭ অক্টোবর, ২০২৬
- UNB — Renowned online payment gateways in Bangladesh for domestic, international transactions. দেখা হয়েছে ৭ অক্টোবর, ২০২৬
- Baymard Institute — 50 Cart Abandonment Rate Statistics 2026. দেখা হয়েছে ৭ অক্টোবর, ২০২৬
- AMP Project (Google and SOASTA research) — New Industry Benchmarks for Mobile Page Speed. দেখা হয়েছে ৭ অক্টোবর, ২০২৬
- International Trade Administration — Bangladesh - eCommerce. দেখা হয়েছে ৭ অক্টোবর, ২০২৬
- Patchstack — State of WordPress Security In 2026. দেখা হয়েছে ৭ অক্টোবর, ২০২৬
- Apparel Resources — Facebook restriction keeps F-commerce entrepreneurs at distance. দেখা হয়েছে ৭ অক্টোবর, ২০২৬
- Cloudflare — Cloudflare DDoS Threat Report H1 2026. দেখা হয়েছে ৭ অক্টোবর, ২০২৬
- Google Workspace Admin Help — Email sender guidelines. দেখা হয়েছে ৭ অক্টোবর, ২০২৬
- PCI Security Standards Council — PCI Data Security Standard (PCI DSS). দেখা হয়েছে ৭ অক্টোবর, ২০২৬
- SSLCOMMERZ — Onboarding Requirements. দেখা হয়েছে ৭ অক্টোবর, ২০২৬
- Dhaka Tribune — Bangladesh Bank invites micro traders to formal banking channel. দেখা হয়েছে ৭ অক্টোবর, ২০২৬
- The Financial Express — Over 85pc applicant e-com firms fail to get digital ID certification. দেখা হয়েছে ৭ অক্টোবর, ২০২৬
- The Business Standard — The Digital Commerce Operation Guideline 2021 could address many of the woes of the e-commerce sector. দেখা হয়েছে ৭ অক্টোবর, ২০২৬
- The Business Standard — BB formulates digital payment policies with quick refund, penalty provisions. দেখা হয়েছে ৭ অক্টোবর, ২০২৬
Google সার্চে আমাদের লেখা আরও বেশি দেখতে চান? Google-এ আমাদের সাইটটা পছন্দের তালিকায় রাখুন
পেজটা কি কাজে লেগেছে?
একটা ইমোজি বেছে জানান। লগইন করতে হবে না।