সাপোর্টার হিসেবে
ক্রিয়েটরদের ফলো করুন, কফি গিফট দিন, শপ থেকে কিনুন, মেম্বারশিপ নিন। পরে নিজে ক্রিয়েট করা শুরু করলেও এসব আপনার অ্যাকাউন্টেই থাকে।
এক লগইন, এক প্রোফাইলেই সাপোর্টারও থাকুন, ক্রিয়েটরও হন। ফলো, গিফট আর কেনাকাটা করে অন্যদের সাপোর্ট করুন; পরে অ্যাকাউন্ট না বদলেই নিজের অফার আর পাওয়া সাপোর্ট সামলান।
সাপোর্ট করা আর নিজে ক্রিয়েট করা, দুটোই একই পরিচয়ে হয়, কিন্তু কাজ গুলিয়ে যায় না। ছবিতে দেখুন: মাঝখানে একটাই অ্যাকাউন্ট, দুই পাশ পালা করে বদলাচ্ছে।
প্রোফাইল, হ্যান্ডেল, লগইন, ফলো, গিফট, কেনাকাটা আর প্রোফাইলের সব হিস্ট্রি থাকে একই পরিচয়ে।
ক্রিয়েটরদের ফলো করুন, কফি গিফট দিন, শপ থেকে কিনুন, মেম্বারশিপ নিন। পরে নিজে ক্রিয়েট করা শুরু করলেও এসব আপনার অ্যাকাউন্টেই থাকে।
ক্রিয়েটর সার্ভিস চালু করুন, সাপোর্ট নিন, আর আপনার সার্ভিসে কী চলছে দেখুন। ক্রিয়েট করলে নতুন সুবিধা যোগ হয়, সাপোর্টার হিস্ট্রি মুছে যায় না।
সাইন আউট না করে, আলাদা প্রোফাইল না খুলে, অ্যাকাউন্ট না বদলেই দুটোই করুন।
ইমেইল OTP দিয়ে সাইন আপ করে একটা প্রোফাইল খুলুন। অ্যাকাউন্ট খোলার সময় সাপোর্টার না ক্রিয়েটর, সেটা চিরদিনের জন্য বেছে নিতে হয় না।
একই পরিচয়ে ক্রিয়েটরদের দেখুন, তাদের কাজ ফলো করুন, কফি গিফট দিন, শপ থেকে কিনুন বা মেম্বারশিপ নিন।
প্রোফাইল আর দরকারি সেটআপ শেষ করে আপনার কাজের সাথে যায় এমন ক্রিয়েটর সার্ভিস চালু করুন।
ক্রিয়েট করা শুরু করলেও ফলো, গিফট, কেনাকাটা আর প্রোফাইলের বাকি সব অ্যাক্টিভিটি একই প্রোফাইলে থাকে।
ক্রিয়েটর সার্ভিস চালু করলে শুধু নতুন কিছু যোগ হয়। আগের পরিচয় একই থাকে, অন্য ক্রিয়েটরকে ফলো করা, তাদের থেকে কেনা বা সাপোর্ট করাও আগের মতোই চলে।
নিজের নামে জয়েন করুন, পছন্দের কাজকে সাপোর্ট করুন, আর সময় হলে নিজের ক্রিয়েটর সার্ভিস চালু করুন।